ব্লাড প্রেসারের ওষুধে আবারো ক্যান্সার সৃষ্টির উপাদান

হামিম উল কবির। ২১ শে জুন ২০১৯ বণিকর্বাতা ।


ব্লাড প্রেসারের(উচ্চরক্তচাপ) ওষুধে ইউএস এফডিএ চার নম্বর কার্সিনোজেন (ক্যান্সার সৃষ্টিকার উপাদান) পাওয়া গেছে। ফলে গত গ্রীষ্মের পর থেকে ইউরোপ ও আমেরিকায় হার্টের ওষুধে তীব্র সঙ্কট দেখা দিয়েছে যখন জানা গেল কয়েক লাখ মানুষ প্রতিদিন যে হার্টের ওষুধ খাচ্ছে তাতে রয়েছে ক্যান্সার সৃষ্টির উপাদান। উল্লেখ্য, যেসব ওষুধে কার্সিনোজেন পাওয়া গেছে সেগুলো চীন ও ইন্ডিয়ায় তৈরী। চীন ও ইন্ডিয়ার কোম্পানীগুলো সারা বিশ্বে দুই-তৃতীয়াংশ ওষুধের উপাদান সরবরাহ করে। গত বছরের জুলাই মাসে কোয়ালিটি কনর্ট্রোল টেস্টে কয়েক লাখ মানুষের মধ্যে এসব কার্সিনোজেন প্রকাশ পেয়েছে।এরপর এতটি অনলাইন ফার্মেসি নিরাপদ ঘোষিত আরেকটি ব্লাড প্রেসারের ওষুধে কার্নোজেন পেয়েছে।


ব্লাড প্রেসারের(উচ্চরক্তচাপ) ওষুধে ইউএস এফডিএ চার নম্বর কার্সিনোজেন (ক্যান্সার সৃষ্টিকার উপাদান) পাওয়া গেছে। ফলে গত গ্রীষ্মের পর থেকে ইউরোপ ও আমেরিকায় হার্টের ওষুধে তীব্র সঙ্কট দেখা দিয়েছে যখন জানা গেল কয়েক লাখ মানুষ প্রতিদিন যে হার্টের ওষুধ খাচ্ছে তাতে রয়েছে ক্যান্সার সৃষ্টির উপাদান। উল্লেখ্য, যেসব ওষুধে কার্সিনোজেন পাওয়া গেছে সেগুলো চীন ও ইন্ডিয়ায় তৈরী। চীন ও ইন্ডিয়ার কোম্পানীগুলো সারা বিশ্বে দুই-তৃতীয়াংশ ওষুধের উপাদান সরবরাহ করে। গত বছরের জুলাই মাসে কোয়ালিটি কনর্ট্রোল টেস্টে কয়েক লাখ মানুষের মধ্যে এসব কার্সিনোজেন প্রকাশ পেয়েছে।এরপর এতটি অনলাইন ফার্মেসি নিরাপদ ঘোষিত আরেকটি ব্লাড প্রেসারের ওষুধে কার্নোজেন পেয়েছে।

কমপক্ষে ১০ লাখ আমেরিকান ও ১০ লাখ ইউরোপিয়ান এ ওষুধটি দৈনিক খায়। চীন ও ইন্ডিয়ার যেসব কারখানা এ ওষুধের রাসায়ানক উপাদান তৈরী করে সেখানেই কোয়ালিটি কনট্রোলে তা ধরা পড়ে প্রথম। ধারনা করা হয়, এই দুই দেশই ওষুধের উপদান তৈরি করে সস্তায় এবং দক্ষতার সাথে। ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ফার্মেসি থেকে সরকারি কর্মকর্তারা এবং ফার্মাসিউটিকাল কোম্পানির লোকেরা বাধ্যতামূলোকভাবে ওই ওষুধটি তুলে নিয়েছে।এ সংক্রান্ত রিপোর্টটি ডেইলি মেইল অনলাইনে ছাপা হয় গত ১৮ জুন।

ব্লাড প্রেসারের ওষুধে ক্যান্সার সৃষ্টির রাসায়নিক উপাদান পাওয়া গেল তা জানিয়েছে এফডিএ। হার্ট ফেইলুর ও হাইপারটেনশনের ওষুধ তৈরির সময় কিছু অ্যাক্টিভ ইনগ্রেডিয়েন্ট একসাথে মিশানো হলে এই ক্ষতিকর রাসায়নিকটি তৈরি হয় বাইপ্রোডাক্ট হিসেবে। এফডিইই বলছে, ওষুধটি ‘রেসেপি’ অনুসারে সতর্কতার সাথে তৈরী করা হলে ও ক্ষতিকর বাইপ্রোডাক্টটি তৈরির ঝুকি থাকত না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লিনহই, চায়না, ঝেজিয়াং হোয়াহাই ফার্মাসিউটিক্রাল ওষুধ তৈরি পর সঠিক উপায়ে পরিষ্কার না করায় এ সমস্যাটি তৈরি হয়েছে।

নোভার্টিসের মতো শীর্ষ সরবরাহকারী কোম্পানীর ভালসারটানে ওই ক্ষতিকর রাসায়নিকটি পাওয়া গেছে অনরাইন ফার্মেসি ‘ভেলিসুর’ পরীক্ষায়।গত সপ্তাহে ভেলিসুর তাদের পরীক্ষা-নিরীক্ষাটি এফডিএর কাছে পাঠিয়েছে।ওষুধের বিশ্ব কর্তৃপক্ষ ব্লাড প্রেসারের কিছু ওষুধে বিক্রিতে বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে প্রায় এক বছর। যে ওষুধগুলি বিক্রিতে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে এগুলো হলো চীন ও ভারতের উৎপাদিত ভলসারটান, লোসারটানে মিশ্রিত হওয়া কার্সিনোপজেন এন-নাইট্রোসোডিথিলামিন(এডিইএ) এবং এন-নাইট্রোসোডিমেথিলামিন(এনডিএমএ)

ইউরোপিয়ান ওষুধ নিয়ন্ত্রনকারী কর্তৃপক্ষ ২০১৮ সালে প্রথম এসব ওষুধে দূষণের সন্ধান পায় এবং সরবরাহকারী কোম্পানীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে শুরু করে। এফডিএ ২০১৮ সালের জুনের দিকে ইউোপীয় ইউনিয়নকে অনুসরণ করে ব্যবস্থা নেয়।পরে শরতে জেনেরিক উৎপাদনকারী মিলান, তেভা ফার্মাসিউক্রালস এবং নোভার্টিসের সেন্ডোজ মার্কেট থেকে তাদের এপিআই প্রত্যাহার করে নেয়। এরপর গত জানুয়ারী মাসে এফডিএ ইন্ডিয়ার উৎপাদিত লোসারটান পটাশিয়ামের ৮৭ প্রকার ওষুধে বিষাক্ত রাসায়নিক এন-নাইট্রো-এন-মিথাইল-৪-অ্যামিনোবিট্রায়িক এসিড(এনএমবিএ) শনাক্ত করে। এই উপাদানটি আরেকটি ক্যান্সার সৃষ্টিকারী পদার্থ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব নিয়ন্ত্রণ করা খুবই জটিল ব্যাপার। এগুলো চলে আসে রসায়নিক বিক্রিয়ায় বাইপ্রোডাক্টে হিসেবে যদিও এটা পরিস্কার নয় কোন উপাদানটি তৈরি হয় বাইপ্রোডক্টে। এটাও পরিস্কার নয় যে এফডিএ কী করতে চায় নতুন রিপোর্টের আলোকে। এটা হতে পারে যে এফডিএ মানুষকে বলবে, জীবন রক্ষাকারী এই ওষুধটি সেবন করে যেতে হবে কারণ ওষুধে এনডিইএ , এনএমডিএ এবং এনএমবিএর লেবেল খুবই কম। তবে ‘চায়না আর এক্স : এক্সপেজিং দ্য রিস্ক অব আমেরিকাস ডিপেন্ডন্স অন চায়না ফর মেডিসিন’ বইয়ের লেখব রোডমেরি জিবসন ডেইলি মেইলকে বলেন,’চীনের তৈরি প্রতিটি ট্যাবলেট গ্রহনসীমার ২০০ শতাংশের বেশি গ্রহণযোগ্য। এটা যেসব ওষুধ প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে তার গ্রহনসীমার চেয়ে বেশি।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *